ছয় দফা প্রস্তাব | ১৯৬৬ সালের ছয় দফা দাবি | টাইমলাইনে ছয় দফা
বাংলাদেশ বিষয়াবলী

ছয় দফা প্রস্তাব | ১৯৬৬ সালের ছয় দফা দাবি | টাইমলাইনে ছয় দফা

পাকিস্তানি শাসকগােষ্ঠীর শােষণ ও বৈষম্য নীতির বিরুদ্ধে শেখ মুজিবুর রহমান ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬ লাহােরে ঐতিহাসিক ছয় দফা প্রস্তাব পেশ করেন। ৭ জুন ১৯৬৬ ছয় দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে হরতাল চলাকালে পুলিশ ও ইপিআর নিরস্ত্র মানুষের ওপর গুলি চালায়। এতে মােট ১১ জন বাঙালি শহিদ হন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘােষিত ঐতিহাসিক ছয় দফা বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা করেছিল। আর এ ছয় দফা আন্দোলনের পথ ধরেই জন্ম নেয় আজকের স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ।

ছয় দফা প্রস্তাব সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন ও উত্তর :

প্রশ্ন : বাঙালির মুক্তি ও স্বাধীনতার প্রথম সনদ কোনটি?
উত্তর : ছয় দফা কর্মসূচি।

প্রশ্ন : ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি কী?
উত্তর : পাকিস্তান শাসনামলে বাঙালিদের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের ছয়টি দাবি, যা বাংলার কৃষক-শ্রমিক-মজুর-মধ্যবিত্ত তথা আপামর মানুষের মুক্তির সনদ।

প্রশ্ন : তাসখন্দ চুক্তি পর্যালােচনার জন্য কবে পাকিস্মনের বিরােধী দলগুলাে জাতীয় সম্মেলন আহ্বান করে?
উত্তর : ৫-৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬।

প্রশ্ন : শেখ মুজিবুর রহমানকে পাকিস্তানের বিরােধী দলগুলাের জাতীয় সম্মেলনে যােগ দেয়ার আহ্বান জানান কে?
উত্তর : নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সভাপতি নবাবজাদা নসরুল্লাহ খান।

প্রশ্ন : বিরােধী দলের জাতীয় সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন কে?
উত্তর : মুসলিম লীগের সভাপতি সৈয়দ মােহাম্মদ আফজাল।

প্রশ্ন : ছয় দফা কর্মসূচি ঘােষণা করেন কে?
উত্তর : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

প্রশ্ন : বঙ্গবন্ধু কবে এবং কোথায় ছয় দফা’ ঘোষণা করেন?
উত্তর : ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬, পাকিস্তানের লাহােরে।

প্রশ্ন : ২য় দফা উত্থাপনের মূল কারণ কী ছিল?
উত্তর : পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা।

প্রশ্ন : ছয় দফার প্রথম দফা কী ছিল?
উত্তর : প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন।

প্রশ্ন : আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে ছয় দফা গৃহীত হয় কবে?
উত্তর : ১৮ মার্চ ১৯৬৬।

প্রশ্ন : বঙ্গবন্ধু আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা দাবি ঘােষণা করেন কবে?
উত্তর : ২৩ মার্চ ১৯৬৬।

প্রশ্ন : ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস কবে?
উত্তর : ৭ জুন।

প্রশ্ন : ছয় দফা দাবি আদায়ে হরতাল পালিত হয় কবে?
উত্তর: ৭ জুন ১৯৬৬।

প্রশ্ন : ছয় দফা দাবি সংক্রান্ত পুস্তিকার নাম কী ছিল?
উত্তর : ছয় দফা : আমাদের বাঁচার দাবি।

প্রশ্ন : ছয় দফার স্বত্র দিক ছিল কতটি?
উত্তর : তিনটি রাষ্ট্রের প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক কাঠামাে।

আরো পড়ুন :   সাধারণ জ্ঞান বাংলাদেশ বিষয়াবলী থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্নোত্তর

প্রশ্ন : কোন পত্রিকা ছয় দফার পক্ষে জনমত গড়ে তােলে। উ
উত্তর : দৈনিক ইত্তেফাক।

প্রশ্ন : বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত ‘আমাদের বাঁচার দাবি : ৬ দফার ৫০ বছর’ বইয়ের মােড়ক উম্মোচন করা হয় কবে?
উত্তর : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬।

প্রশ্ন : আমাদের বাঁচার দাবি : ৬ দফার ৫০ বছর’ বইয়ের লেখক কে?
উত্তর : অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ।

প্রশ্ন : ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ কে?
উত্তর : মনু মিয়া (জন্মস্থান : বিয়ানীবাজার, সিলেট)। মনু মিয়ার পুরাে নাম ফখরুল মৌলা খান।

ছয় দফার পর যতবার বঙ্গবন্ধু গ্রেপ্তার

১৮ এপ্রিল ১৯৬৬ ১ দিন
২১-২৫ এপ্রিল ১৯৬৬ ৫ দিন
৯ মে ১৯৬৬- ১৭ জানু ১৯৬৮ ৬১৯ দিন
১৮ জানু, ১৯৬৮- ২২ ফেব্রু. ১৯৬৯ ৪০২ দিন
২৬ মার্চ ১৯৭১-৮ জানু, ১৯৭২ ২৮৯ দিন

জয় বাংলা

প্রশ্ন: ঐতিহাসিক ছয় দফা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে নির্মিত চলচ্চিত্রের নাম কী?
উত্তর : জয় বাংলা।

প্রশ্ন : জয় বাংলা চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
উত্তর : ফখরুল আলম।

প্রশ্ন : ‘জয় বাংলা’ চলচ্চিত্রের কাহিনী, সংলাপ ও চিত্রনাট্যকার কে?
উত্তর : বর্তমান নির্বাচন কমিশনার সাহিত্যিক মাহবুব তালুকদার।

প্রশ্ন : এই চলচ্চিত্রের সংগীত পরিচালক ছিলেন কে?
উত্তর : আনোয়ার পারভেজ।

প্রশ্ন : চলচ্চিত্রটির মহরত অনুষ্ঠিত হয় কবে?
উত্তর : ২৫ জুন ১৯৭০।

প্রশ্ন : “জয় বাংলা চলচ্চিত্রটি পাকিস্তান সুরকার নিষিদ্ধ ঘােষণা করে কবে?
উত্তর : ১৯৭০ সালের শেষ দিকে।

প্রশ্ন : চলচ্চিত্রটির জন্য গাজী মাজহারুল এ আনােয়ার কোন গানটি রচনা করেন?
উত্তর : জয় বাংলা বাংলার জয়।

প্রশ্ন : গানটিতে কণ্ঠ দেন কে?
উত্তর : আব্দুল জব্বার ও শাহনাজ রহমতুল্লাহ।

প্রশ্ন : ‘জয় বাংলা চলচ্চিত্র মুক্তি পায় কবে?
উত্তর : ২৬ জানুয়ারি ১৯৭২।

ছয় দফার দাবীসমূহ

  • শাসনতান্ত্রিক কাঠামাে ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি : লাহাের প্রস্তাবের ভিত্তিতে পাকিস্তান হবে একটি ফেডারেশন বা যুক্তরাষ্ট্র। সর্বজনীন ভােটাধিকারের ভিত্তিতে প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচিত আইন পরিষদের প্রাধান্যসহ সংসদীয় পদ্ধতির সরকার গঠনের ব্যবস্থা থাকতে হবে।
  • কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা : বৈদেশিক সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা ছাড়া সকল বিষয়। অঙ্গরাষ্ট্র বা প্রদেশের হাতে ন্যস্ত থাকবে। উল্লেখিত দুটি বিষয় ন্যস্ত থাকবে কেন্দ্রীয় বা যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের হাতে।
  • মুদ্রা বা অর্থ সম্বন্ধীয় ক্ষমতা : পাকিস্তানের দুটি অঞ্চলের জন্য পৃথক অথচ অবাধে | বিনিময়যােগ্য মুদ্রাব্যবস্থার প্রবর্তন করতে হবে। অথবা সমগ্র দেশে একটি। মুদ্রাব্যবস্থা থাকবে, তবে সেক্ষেত্রে পূর্ব পাকিস্তান থেকে পশ্চিম পাকিস্তানে মূলধন পাচার রােধের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এ জন্য একটি ফেডারেল ব্যাংকের অধীনে কার্যকরী ব্যবস্থা থাকতে হবে।
  • রাজস্ব, কর বা শুষ্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা : অঙ্গরাষ্ট্র বা প্রদেশগুলাের কর বা শুল্ক ধার্য করার ক্ষমতা থাকবে। তবে ব্যয় নির্বাহের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার এর একটি অংশ পাবে।
  • বৈদেশিক বাণিজ্যবিষয়ক ক্ষমতা : পাকিস্তানের দুই অঞ্চলের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পৃথক হিসাব রাখা হবে। অর্জিত বেদেশিক মুদ্রা স্ব স্ব অঞ্চলের বা অঙ্গরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এছাড়া কেন্দ্রীয় সরকারের বৈদেশিক নীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখেআঞ্চলিক সরকার। বিদেশে বাণিজ্য প্রতিনিধি প্রেরণ এবং যেকোনাে চুক্তি সম্পাদন করতে পারবে।
  • আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা : নিজস্ব নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য। অঙ্গরাষ্ট্রসমূহ প্যারামিলিশিয়া বা আধা সামরিক বাহিনী গড়ে তুলতে পারবে।
আরো পড়ুন :   সাধারণ জ্ঞান বাংলাদেশ বিষয়াবলী থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্নোত্তর একসাথে পড়ে নিন

টাইমলাইনে ৬ দফা

১৯৬৬

৪ ফেব্রুয়ারি : পাকিস্তানের বিরােধী দলগুলাের জাতীয় সম্মেলনে যােগ দেওয়ার জন্য আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নিয়ে শেখ মুজিবুর রহমান লাহােরে পৌঁছেন।

৫ ফেব্রুয়ারি : লাহােরে চৌধুরী মােহাম্মদ : আলীর বাসভবনে কাউন্সিল মুসলিম লীগের সভাপতি সৈয়দ মােহাম্মদ আফজালের সভাপতিত্বে বিরােধী দলের সম্মেলন শুরু হয়। সাবজেক্ট কমিটির । সভায় শেখ মুজিবুর রহমান ছয় দফা। প্রস্তাব উত্থাপন করেন এবং তা সম্মেলনের আলােচ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান। কিন্তু সম্মেলনের উদ্যোক্তারা এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।

৬ ফেব্রুয়ারি : পশ্চিম পাকিস্তানি পত্র-পত্রিকায় ছয় দফার বিবরণ ছাপিয়ে | শেখ মুজিবকে বিচ্ছিন্নতাবাদীরূপে চিত্রিত। করা হয়। ফলে শেখ মুজিব ৬ ফেব্রুয়ারির সম্মেলন বর্জন করেন।

১১ ফেব্রুয়ারি : শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকায় আসেন এবং তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দরেই সাংবাদিকদের কাছে প্রথম। তার ছয় দফা কর্মসূচি প্রকাশ করেন।

২১ ফেব্রুয়ারি : শেখ মুজিবুর রহমানের ধানমন্ডির বাসায় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী । লীগের কার্যকরী কমিটির সভায় ছয় দফা প্রস্তাব গৃহীত হয়।

১৮ মার্চ : পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে ছয় দফা অনুমােদন করা হয়। অধিবেশনে শেখ মুজিবুর রহমানের নামে আমাদের বাচার দাবি : ৬-দফা কর্মসূচি’ শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রচার করা হয়।

২০ মার্চ : ঢাকায় মুসলিম লীগের সমাপ্তি অধিবেশনে প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান ছয় দফার প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, দেশের অখণ্ডতা বিরােধী কোনাে প্রচেষ্টা সরকার সহ্য করবে না ; প্রয়ােজন হলে অস্ত্রের মুখে জবাব দেয়া হবে।

২৩ মার্চ : আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা ঘােষণা।

আরো পড়ুন :   সাধারণ জ্ঞান বাংলাদেশ বিষয়াবলী থেকে ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ এমসিকিউ

৮ মে : নারায়ণগঞ্জে জনসভা শেষে ঢাকায়। ফিরে আসার পর ধানমন্ডির বাড়ি থেকে ‘পাকিস্তান দেশরক্ষা আইনে’ শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তৎকালীন তা সরকার একের পর এক মামলা দিতে থাকে।

৯ মে : শেখ মুজিবুর রহমানকে কারাগারে প্রেরণ করে।

৭ জুন : ছয় দফা দাবি আদায়ে আওয়ামী লীগের ডাকে হরতাল চলাকালে পুলিশ ও ইপিআর নিরস্ত্র মানুষের ওপর গুলি চালায়। এতে ১১ জন বাঙালি শহিদ হন।

১৯৬৮

৩ জানুয়ারি : ছয় দফা আন্দোলন তুঙ্গে। দেখে আইয়ুব সরকার শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রধান আসামি করে রাষ্ট্রদ্রোহমূলক
মামলা করে, যা আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা’ নামে পরিচিতি পায়।

প্রাসঙ্গিক তথ্য

তাসখন্দ চুক্তি

প্রশ্ন : তাসখন্দ চুক্তি পর্যালােচনার জন্য পাকিস্তানের বিরােধী দলগুলাের জাতীয় সম্মেলন কবে, কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
উত্তর : ৫-৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬; লাহাের, পাকিস্তান।

প্রশ্ন : তাসখন্দ চুক্তি কবে, কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
উত্তর : ১০ জানুয়ারি ১৯৬৬; তাসখন্দ, উজবেকিস্তান।

প্রশ্ন : কোন কোন দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
উত্তর : ভারত ও পাকিস্তান।

প্রশ্ন : তাসখন্দ চুক্তির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কী?
উত্তর : চুক্তির মাধ্যমে চির বৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের অবসান।

ঐতিহাসিক লাহাের প্রস্তাব

প্রশ্ন : কোন প্রস্তাবের ভিত্তিতে ছয় দফা রচিত হয়?
উত্তর : ঐতিহাসিক লাহাের প্রস্তাব।

প্রশ্ন : ঐতিহাসিক লাহাের প্রস্তাব কে, কবে ও কোথায় উত্থাপন করেন?
উত্তর : এ কে ফজলুল হক; ২৩ মার্চ ১৯৪০; লাহাের, পাকিস্তান।

প্রশ্ন : লাহাের প্রস্তাবটি গৃহীত হয় কবে?
উত্তর : ২৪ মার্চ ১৯৪০।

প্রশ্ন : লাহাের প্রস্তাবের মূল বিষয় কী ছিল?
উত্তর : ভারতের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলসমূহ নিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ গঠন করতে হবে এবং রাষ্ট্রসমূহ হবে স্বায়ত্তশাসিত ও সার্বভৌম।

ম্যাগনা কার্টা সনদ

প্রশ্ন : ঐতিহাসিক ছয় দফাকে কীসের সাথে তুলনা করা হয়?
উত্তর : ম্যাগনা কাটা সনদ।

প্রশ্ন : ব্রিটিশ শাসনতন্ত্রের বাইবেল নামে খ্যাত কোনটি?
উত্তর : ম্যাগনা কার্টা সনদ।

প্রশ্ন : ম্যাগনা কার্টা সনদের মাধ্যমে কীসের উন্মেষ ঘটে?
উত্তর : বিশ্ব ইতিহাসে সর্বপ্রথম এই সনদেই ঘােষণা করা হয় যে, কোনাে দেশের রাজাসহ সে দেশের সকলেই রাষ্ট্রীয় আইনের অধীন, কেউই আইনের
উর্ধ্বে নন।

প্রশ্ন : ব্রিটিশ রাজা জন ও বিদ্রোহী ব্যারনদের মধ্যে ম্যাগনা কার্টা সনদ স্বাক্ষরিত হয় কবে?
উত্তর : ১৫ জুন ১২১৫।

আরো পড়ুন

সাধারণ জ্ঞান বাংলাদেশ বিষয়াবলী থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্নোত্তর একসাথে পড়ে নিন

Preparation24

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে কিছু সাধারণ জ্ঞান এক সাথে

Preparation24

সাধারণ জ্ঞান বাংলাদেশ বিষয়াবলী থেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পড়ে নিন

Preparation24